বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী Deepika Padukone দ্বিতীয়বারের মতো মা হতে চলেছেন এ খবর প্রকাশের পর ভক্তদের আগ্রহ যেন আরও বেড়ে গেছে তাকে ঘিরে। এই সুখবর জানানোর পর প্রথমবার জনসমক্ষে হাজির হয়ে আবারও আলোচনায় এলেন তিনি। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) Mumbai-এর ব্যস্ত বিমানবন্দরে স্বামী Ranveer Singh-এর সঙ্গে দেখা যায় এই তারকা দম্পতিকে।
এদিন দীপিকার উপস্থিতি ছিল একেবারেই সহজ-সরল, কিন্তু তাতে ছিল আলাদা এক সৌন্দর্য। তিনি বেছে নিয়েছিলেন আরামদায়ক একটি ওভারসাইজড কোবাল্ট ব্লু কো-অর্ড সেট, যার সঙ্গে মিলিয়ে পরেছিলেন উজ্জ্বল হলুদ রঙের স্নিকার্স। হাতে ছিল একটি কালো হ্যান্ডব্যাগ এবং চোখে রোদচশমা সব মিলিয়ে তার লুকটি ছিল একাধারে স্টাইলিশ ও স্বস্তিদায়ক। মাতৃত্বের এই সময়ে তার পোশাকের মধ্য দিয়েই স্পষ্টভাবে ফুটে উঠছিল বেবিবাম্প, যা ভক্তদের নজর এড়ায়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যায়, পুরো সময়জুড়ে দীপিকার প্রতি দারুণ যত্নশীল ছিলেন রণবীর। গাড়ি থেকে নামার সময় তাকে সহায়তা করা থেকে শুরু করে বিমানবন্দরের ভেতরে প্রবেশ পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্তে তিনি ছিলেন স্ত্রীর পাশে। বিশেষ করে দীপিকার পিঠে আলতো করে হাত রেখে তাকে নিরাপত্তা ও স্বস্তি দেওয়ার দৃশ্যটি ভক্তদের মনে দাগ কেটেছে। তাদের এই আন্তরিকতা ও পারস্পরিক যত্ন অনেকের কাছেই অনুকরণীয় দাম্পত্য সম্পর্কের উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
চলতি মাসের শুরুর দিকেই এই তারকা জুটি দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের সুখবরটি প্রকাশ করেন। বিষয়টি তারা ভিন্নধর্মী এক উপায়ে ভক্তদের সামনে তুলে ধরেন। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা এক পোস্টে দেখা যায়, তাদের প্রথম সন্তান Dua Padukone Singh-এর হাতে একটি প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট। সেই কিটে থাকা দুটি গোলাপি দাগই নতুন অতিথির আগমনের ইঙ্গিত দেয়।
পোস্টটির ক্যাপশনে দীপিকা কোনো দীর্ঘ বার্তা না লিখে কেবল একটি “ইভিল আই” ইমোজি ব্যবহার করেন। এই ছোট্ট ইঙ্গিতই মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়, আর ভক্তরা বুঝে নেন আনন্দের খবরটি। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায় এই দম্পতির জন্য।
দীপিকা ও রণবীর বরাবরই তাদের ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে থাকেন। তবে তারা সবকিছুতেই একটি নিজস্বতা বজায় রাখেন, যা তাদের আরও আলাদা করে তোলে। নতুন এই সুখবর এবং জনসমক্ষে তাদের প্রথম উপস্থিতি আবারও প্রমাণ করল তারকা জীবন যতই ব্যস্ত হোক, পারিবারিক বন্ধন ও ভালোবাসাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।
সোর্স: কালেরকণ্ঠ


